
আজ মিরপুর রোডে
গণভবনের সামনে
একটি
গ্যাস
ভাল্ভ ফেটে যাওয়ায়
ঢাকার
বিভিন্ন এলাকায়
গ্যাসের চাপ
কমে
গেছে।
এই ঘটনায় রাজধানীতে টানা
দুই
সপ্তাহ
ধরে
রান্নার গ্যাসের সংকটে
চরম
ভোগান্তিতে পড়েছেন
নগরবাসী। এর
মধ্যেই
তিতাস
গ্যাসের পাইপলাইনে নতুন
দুর্ঘটনায় পরিস্থিতি আরও
খারাপ
হয়েছে।
ঢাকা
সহ
আশপাশের বিভিন্ন শহরে
গ্যাস
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস
গ্যাস
ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি
এক
বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,
গণভবনের সামনে
৪
ইঞ্চি
ব্যাসের একটি
ভাল্ভ ফেটে ছিদ্র হয়েছে। মেরামতের জন্য
বেশ
কয়েকটি
ভাল্ভ বন্ধ করতে
হওয়ায়
বিতরণ
লাইনে
গ্যাসের চাপ
কমে
যায়।
তিতাস
গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার ফলে
ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ ও গাবতলীসহ আশপাশের
এলাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত ভাল্ভ পরিবর্তনের কাজ চলছে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য
গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।
· গত ৪ জানুয়ারি আমিনবাজার এলাকায় তুরাগ নদীর তলদেশে তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনে দুর্ঘটনা ঘটে।
· মালবাহী একটি ট্রলারের নোঙরের আঘাতে গ্যাস পাইপলাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
· দুর্ঘটনার পর ওই এলাকায় গ্যাস সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
· তিতাস কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইনটি মেরামত করেছে।
· মেরামতকালে পাইপলাইনের ভেতরে পানি প্রবেশ করে।
· পাইপলাইনের পানি পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে তিতাস।
· এ কারণে স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
একই সময়ে রাজধানীতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটও চরম আকার ধারণ করেছে। আমদানি কমে যাওয়ায় ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে এলপিজির সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ফলে বাজারে গ্যাসের সিলিন্ডার না পেয়ে ক্রেতাদের দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। কোথাও সিলিন্ডার মিললেও নির্ধারিত ১ হাজার ৩০৬ টাকার পরিবর্তে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।
দুই
ধরনের গ্যাস সংকট একসঙ্গে দেখা দেওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রান্না কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। সচ্ছলরা বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক চুলা বা রাইস কুকারে
ঝুঁকলেও সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ।
গ্যাসের স্বল্পচাপে বর্তমানে মোহাম্মদপুর, মিরপুর, জিগাতলা, খিলগাঁও, বাড্ডা ও নাখালপাড়া এলাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।